The গন্ধবণিক

Saptadinga-সপ্তডিঙ্গা-by-Sheli-Dey
Saptadinga-সপ্তডিঙ্গা-by-Sheli-Dey

প্রাচীন কাল থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে যুক্ত হয়ে দেশ এবং সমাজের উন্নতিতে লিপ্ত এক অগ্রিম শ্ৰেণী জাতি হলো গন্ধবণিক। এই কুলেই জন্মেছিলেন প্রাচীন ভারতের চম্পক নগরের একজন প্রসিদ্ধ, ধনী ও ক্ষমতাশালী বণিক চাঁদ সদাগর

উইকিপিডিয়া তে গন্ধবণিকের ইতিহাস এবং উল্লেখিত তথ্য অনেক সীমিত এবং বিগত কয়েক বছরে অনেক সংস্করণ পাল্টেছে। এই লেখা টি যুক্ত হওয়ার আগে পর্য্যন্ত মাত্র কয়েক লাইন ‘এ সীমিত হয় থেকে গেছে উইকিপিডিয়ার গন্ধবণিকের পেজ। তার কারন হলো আমাদের তথ্য ইতিহাসের মধ্যে ছড়িয়ে -ছিটিয়ে থাকা। এই নিয়ে আমরা কাজ করছি।

গন্ধবণিকদের চারটি থাক বা আশ্রমে ভাগ করা হয় যথাক্রমে দেবদাস, শঙ্খভূতি, অ্যবট দত্ত ও বিষট গুপ্ত। উক্ত চারিজন শিবদেহ থেকে আবির্ভূত এবং কূলদেবী গন্ধেশ্বরীর আরাধনা করেন। সিংহ বাহিনী, ত্রিনয়না, চতুর্ভুজা, শঙ্খ চক্র, ধনুক বান ধারিনী এই দেবী।

পূজা অর্চনা’র সামগ্রীর সাথে গন্ধ দ্রব্য, নানা প্রকার মশলাদি, রেশম কাপড়, তুলা, পিপুল জাতীয় মরিচ গন্ধবণিকরা দেশের মধ্যে ছাড়াও দেশের বাইরে রপ্তানি করতেন। তার সাথেও বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমানে উৎকৃষ্ট দ্রব্য নিজেদের দেশে সরবরাহ করতেন। প্রাচীন বিভিন্ন গ্রন্থে ও পুরাণে এর উল্লেখ পাওয়া যায়। তার সাথে-সাথে প্রচুর সম্পদশালী জাতি হিসাবে পরিচয় বহন করতে শুরু করেন।

রাঢ়দেশীয় পশ্চিমবঙ্গে এদের বাসস্থান হলেও পরবর্তী কালে প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র গুলোতে এরা বসবাস স্থাপন করেন।

— উপরোক্ত লেখাতে যোগকর্তাদের নাম
১) সন্দীপ দে, কলকাতা
২) হর্ষবর্ধন চন্দ্র, সাঁইথিয়া