শরতের নীলাকাশ আজ কালো মেঘে পুঞ্জিভূত, নীলাকাশের সাদা পেঁজা মেঘেরা বড় উৎকন্ঠায় আজ। তারা যে পারছে না শারদৎসবের আগমনীর বার্তা বইতে। কাশেরাও মুহ্যমান হয়ে রয়েছে তিতলির ছোঁয়ায়।
উৎকন্ঠা, চাপ কেনো কিছুই যেনো রুদ্ধ করতে পারে না মন কে, এ যে আমাদের পরমানন্দের শারদৎসব। মনে পড়ে প্রিয়জনের কথা, ইচ্ছে হয় তার মিষ্টি সাজ আর মিষ্টি হাসি তে একটু মন ভরাতে।
উৎকন্ঠা যেনো হঠাৎই হারিয়ে যায়, যখন তোমায় এক পলক দেখি, মনে হয় আগমনী যে এই ভূবনেই, হয়তো আমরই কোনো প্রিয়জন সে।
সুদূর প্রান্তে হলেও ওই নীলাকাশ টায় যেনো তোমারই ছোঁয়া, এক চিলতে রোদ তোমায় আরও নীলাভ করে তোলে, মনে হয় তুমি আছো…. তুমি আছো এই শরৎ এর শারদৎসবে আমার হৃদয় জুড়ে।
প্রকৃতির রোষে ঘটে সুনামি
কিংবা কয়েক সেকেন্ড এর কম্পনে
নড়ে ওঠে গুজরাট।
প্রানের সমাধির বেদির উপর,
গড়ে ওঠে আশার সভ্যতা।
তবু ও সৃষ্টিরা থেমে থাকে না।
সৃষ্টিরা থমকে যায় পৈশাচিক উল্লাসের কাছে,
ঠান্ডা ঘরের মধ্যে আলো আঁধারির পরিবেশে
বাতাসে ওড়ে শ্যাম্পনের ফোয়ারা।
খেলা চলে যুদ্ধ যুদ্ধ।
মনুষ্যত্বের ফেরিওয়ালারা
ক্ষমতার জয়গান গেয়ে আলিঙ্গনে লিপ্ত হয়।
আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের লাশ
শুয়ে আছে, বিশ্ব মানবতার হৃদয়ে।
বুকের পাড়ায় হামাগুড়ি দিয়ে
উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ক্ষুদ্র মানবতা।
দানবের রোষে যদি ঘটে কোন
ধ্বংসের খেলা।
সেখানে নতুন করে জেগে ওঠে না
আর কোন প্রানের সভ্যতা।
ইতিহাস তৈরি হয় নির্মমতার।
আর তার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে
ওলিয়েন্ডার ফুল।
আমার ছোট বেলার বন্ধু ছায়া ।আগাগোড়া খুব শান্ত স্বভাবের মেয়ে।বাঁশ বাগানে দাড়িয়ে যখন সে তার মাকে দেখছিল আর মনে মনে ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল।
ছায়াকে ৯টার মধ্যে বেরিয়ে যেতে হবে,তার স্কুল যেতে সময় লাগে ১ঘন্টা ।তাই মা তাড়াহুড়ো খাবার বানিয়ে মেয়ের সামনে বসে থাকতো।আর ১০টার সময় স্কুলের গেটে ঢুকতেই হবে,দেরি হলে যে হেডস্যার আর ঢুকতে দেবে না।
সেদিন তার মাকে চলে যেতে দেখছিল,যে রাস্তা দিয়ে মেয়েকে রোজ স্কুলে যাওয়া তার মা দেখতো।একসময় ওখানে জঙ্গল ছিল,এখন আর নেই।ফাঁকা রাস্তায় মেয়েকে অনেক দূর থেকে দেখতে পেত।
গ্রীষ্মকালে প্রচন্ড রোদ্র থেকে ছায়া বাড়ি ফিরলে, ওই বাঁঁশগাছের নিচে দাঁড়িয়ে তার মা অপেক্ষা করতো মেয়ের জন্য। বর্ষাকাল টা আরো কষ্টের।কারন সে মেঘ আর বজ্র দুটোই ভীষন ভয় পায়।কারন সে দেখেছে গরমে লু লেগে পড়ে থাকতে এক মাকে,ছোট্ট শিশুটি তখনও মায়ের স্তন পান করে যাচ্ছে।
সে দেখেছে হাটের মধ্যে বড় একটা অশ্বত্থ গাছের নিচে একটা ছেলে ও দুটো গরু কে বাজ পড়ে মরে যেতে,গাছটা পুরো পুড়ে শেষ হয়ে যেতে দেখেছে।
ছায়া এক বার ভাবলো তার মা এর কাছে চলে যাবে,বড় কুও টার কাছে গিয়ে আমার কথা ভাবলো,সে আমাকে খুব ভালোবাসে।আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারলো না।
মা ছেড়ে থাকা যায়,কিন্তু সন্তান কে ছেড়ে থাকা যায় না।আমি যেতে চাইনি তাই ছায়া আমার সাথে ই থেকে গেল।
ছায়া দেখেছে,ছোট গাড়িটাই যেখানে মানুষ বসে,সেখানে কাঠের বোঝা রাখতে,
আর দেখেছে,যেখানে জিনিসপত্র বেঁধে রাখা হয়,সেখানে তার মাকে ।
ছায়া ভীষন ভয় পায় মেঘ আর অন্ধকার কে।এই সময় সে লুকিয়ে থাকে,ভালোবাসে রদ্রু।তখন সে হেসে বলে,সে আমাকেই ভালোবাসে,আমাকে ছাড়া থাকবে না।
পাখি তোমায় আকাশ দিলাম আমি
নরম আলোয় ভিজিয়ে এসো গা,
পাখি, তোমায় মুক্তি দিয়েছি যে
নীল সাগর এ ডুবিয়ে নিও পা।
চাঁদ কে যদি হঠাৎ ছুঁতে চাস
ইচ্ছে হলেই মেলতে পারিস ডানা
শুনেছি তোর বৃষ্টি ভালো লাগে
মেঘের বাড়ি তাই কি আনাগোনা?
আমার আবার পাহাড় ভালো লাগে
বৃষ্টি হয়ে ঝরিস যদি তুই,
তুই তো আবার আকাশ হতে চাস
ইচ্ছে করে একটু তোকে ছুঁই।
আকাশ আবার মেঘলা,
আবার একটা কবিতা হবে সৃষ্টি’
আবার একটা পাতায় পড়বে আঁচড়
মনের উপর উঠবে আবার ঝড়,
পড়বে স্মৃতির পাতায় দৃষ্টি ।
একটু পরেই ঝড় থেমে—
পড়বে শুধুই অবিরাম বৃষ্টি॥
চিংড়ী মাছ 500gm, চিংড়ী মাছের ঘিলু, ( কাটার সময় ঘিলু আলাদা করে বার করে নিতে হবে), পিঁয়াজ 100gm, রসুন 1টা গোটা, তেজ পাতা 2টি, গরম মসলা থেঁতো 2চামচ, চিনি 2চামচ, পরিমান অনুযায়ী সল্ট, শুকনো লাল লঙ্কা 2 টি, সব একসাথে মাখিয়ে সরষের তেল এ ভাজুন,ভাজা হয়ে গেলে ওভেন বন্ধ করে দিন, রান্না কমপ্লিট, (ঠিক যে ভাবে ইলিশ এর তেল ভাতে মেখে খেয়ে থাকেন, সেই ভাবেই PRAWN BRAINWEAR গরম ভাতে মেখে খাবেন)