
দূর্গা মায়ের আরেক যন্ত্রনা হয়েছে ভোলা মহেশ্বর কে নিয়ে।তিনি তো মূর্তিতে এলেন না,একটা ফটো পাঠিয়ে দিয়েছেন।তাঁর অনেক কাজ,তিনি শ্বশুর বাড়ি আসতে পারবেন না।কাজের মধ্যে কাজ সিদ্ধি খেয়ে ছাই মেখে ঘুরে বেড়ানো।
কৈলাশ থেকে ভোলা মহেশ্বর মধ্যে মধ্যেই হাঁক দেয় ,দূর্গা দূর্গা।
বেচারি দুর্গা ! বছর পরে এসেছে ছেলে মেয়ে নিয়ে নিজের বাপের বাড়ি,কতো আনন্দ করছে মানুষ তাঁকে নিয়ে,সে আনন্দ টাও সইছে না ভোলানাথের।
স্বামী বলে কথা ,দুর্গা তো কোনোদিন স্বামী ছাড়া থাকেন নি।তাঁর ও তো মনটা আনচান করছে স্বামীর জন্য।তিনি স্বামীকে জানালেন,
এসেছি একা ! ছেলে মেয়ে সহ
হরষিত মন নিয়ে,
তুমি বসে থাকো হোথা কৈলাশ পরে
নন্দী ভিরিঙ্গি কে নিয়ে।
দূর্গা দূর্গা হাঁক ছাড় কেন
কিসের এতো প্রয়োজন,
চার দিনের জন্য এসেছিনু বাপু
হেথা থাকবো না তো সারাটা জীবন।।
তোমার লাগি মম মন
করে আনচান,
বিরহ আর সইতে নারি, হারায়াছি মন প্রাণ।।।
কেনো যে বাপু সিদ্ধি খেয়ে
খেয়ালি পানা করো,
এখন শুধু গলা ছেড়ে
হাঁক দিয়ে ,দূর্গা দূর্গা করো।।।।
জয় শিব,জয় দূর্গা।
।।দূর্গা দূর্গা।।
–শিখা বল দত্ত

