শরতের নীলাকাশ আজ কালো মেঘে পুঞ্জিভূত, নীলাকাশের সাদা পেঁজা মেঘেরা বড় উৎকন্ঠায় আজ। তারা যে পারছে না শারদৎসবের আগমনীর বার্তা বইতে। কাশেরাও মুহ্যমান হয়ে রয়েছে তিতলির ছোঁয়ায়।
উৎকন্ঠা, চাপ কেনো কিছুই যেনো রুদ্ধ করতে পারে না মন কে, এ যে আমাদের পরমানন্দের শারদৎসব। মনে পড়ে প্রিয়জনের কথা, ইচ্ছে হয় তার মিষ্টি সাজ আর মিষ্টি হাসি তে একটু মন ভরাতে।
উৎকন্ঠা যেনো হঠাৎই হারিয়ে যায়, যখন তোমায় এক পলক দেখি, মনে হয় আগমনী যে এই ভূবনেই, হয়তো আমরই কোনো প্রিয়জন সে।
সুদূর প্রান্তে হলেও ওই নীলাকাশ টায় যেনো তোমারই ছোঁয়া, এক চিলতে রোদ তোমায় আরও নীলাভ করে তোলে, মনে হয় তুমি আছো…. তুমি আছো এই শরৎ এর শারদৎসবে আমার হৃদয় জুড়ে।
আমার ছোট বেলার বন্ধু ছায়া ।আগাগোড়া খুব শান্ত স্বভাবের মেয়ে।বাঁশ বাগানে দাড়িয়ে যখন সে তার মাকে দেখছিল আর মনে মনে ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল।
ছায়াকে ৯টার মধ্যে বেরিয়ে যেতে হবে,তার স্কুল যেতে সময় লাগে ১ঘন্টা ।তাই মা তাড়াহুড়ো খাবার বানিয়ে মেয়ের সামনে বসে থাকতো।আর ১০টার সময় স্কুলের গেটে ঢুকতেই হবে,দেরি হলে যে হেডস্যার আর ঢুকতে দেবে না।
সেদিন তার মাকে চলে যেতে দেখছিল,যে রাস্তা দিয়ে মেয়েকে রোজ স্কুলে যাওয়া তার মা দেখতো।একসময় ওখানে জঙ্গল ছিল,এখন আর নেই।ফাঁকা রাস্তায় মেয়েকে অনেক দূর থেকে দেখতে পেত।
গ্রীষ্মকালে প্রচন্ড রোদ্র থেকে ছায়া বাড়ি ফিরলে, ওই বাঁঁশগাছের নিচে দাঁড়িয়ে তার মা অপেক্ষা করতো মেয়ের জন্য। বর্ষাকাল টা আরো কষ্টের।কারন সে মেঘ আর বজ্র দুটোই ভীষন ভয় পায়।কারন সে দেখেছে গরমে লু লেগে পড়ে থাকতে এক মাকে,ছোট্ট শিশুটি তখনও মায়ের স্তন পান করে যাচ্ছে।
সে দেখেছে হাটের মধ্যে বড় একটা অশ্বত্থ গাছের নিচে একটা ছেলে ও দুটো গরু কে বাজ পড়ে মরে যেতে,গাছটা পুরো পুড়ে শেষ হয়ে যেতে দেখেছে।
ছায়া এক বার ভাবলো তার মা এর কাছে চলে যাবে,বড় কুও টার কাছে গিয়ে আমার কথা ভাবলো,সে আমাকে খুব ভালোবাসে।আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারলো না।
মা ছেড়ে থাকা যায়,কিন্তু সন্তান কে ছেড়ে থাকা যায় না।আমি যেতে চাইনি তাই ছায়া আমার সাথে ই থেকে গেল।
ছায়া দেখেছে,ছোট গাড়িটাই যেখানে মানুষ বসে,সেখানে কাঠের বোঝা রাখতে,
আর দেখেছে,যেখানে জিনিসপত্র বেঁধে রাখা হয়,সেখানে তার মাকে ।
ছায়া ভীষন ভয় পায় মেঘ আর অন্ধকার কে।এই সময় সে লুকিয়ে থাকে,ভালোবাসে রদ্রু।তখন সে হেসে বলে,সে আমাকেই ভালোবাসে,আমাকে ছাড়া থাকবে না।
পাখি তোমায় আকাশ দিলাম আমি
নরম আলোয় ভিজিয়ে এসো গা,
পাখি, তোমায় মুক্তি দিয়েছি যে
নীল সাগর এ ডুবিয়ে নিও পা।
চাঁদ কে যদি হঠাৎ ছুঁতে চাস
ইচ্ছে হলেই মেলতে পারিস ডানা
শুনেছি তোর বৃষ্টি ভালো লাগে
মেঘের বাড়ি তাই কি আনাগোনা?
আমার আবার পাহাড় ভালো লাগে
বৃষ্টি হয়ে ঝরিস যদি তুই,
তুই তো আবার আকাশ হতে চাস
ইচ্ছে করে একটু তোকে ছুঁই।
আকাশ আবার মেঘলা,
আবার একটা কবিতা হবে সৃষ্টি’
আবার একটা পাতায় পড়বে আঁচড়
মনের উপর উঠবে আবার ঝড়,
পড়বে স্মৃতির পাতায় দৃষ্টি ।
একটু পরেই ঝড় থেমে—
পড়বে শুধুই অবিরাম বৃষ্টি॥
চিংড়ী মাছ 500gm, চিংড়ী মাছের ঘিলু, ( কাটার সময় ঘিলু আলাদা করে বার করে নিতে হবে), পিঁয়াজ 100gm, রসুন 1টা গোটা, তেজ পাতা 2টি, গরম মসলা থেঁতো 2চামচ, চিনি 2চামচ, পরিমান অনুযায়ী সল্ট, শুকনো লাল লঙ্কা 2 টি, সব একসাথে মাখিয়ে সরষের তেল এ ভাজুন,ভাজা হয়ে গেলে ওভেন বন্ধ করে দিন, রান্না কমপ্লিট, (ঠিক যে ভাবে ইলিশ এর তেল ভাতে মেখে খেয়ে থাকেন, সেই ভাবেই PRAWN BRAINWEAR গরম ভাতে মেখে খাবেন)
বা ড়ুজ্যে গিন্নি : —শুনছি নাকি কাল একটু মারধোর বেশি করেছিলো … তা বাপু আমরা ও তো মার খেয়েছি এককালে ,তা থানায় আবার কবে গেলুম !!!!! বলো তোমরা !! কে গেছো থানায় ???
হারুর মা : একদিনে কি সুখ আসে গা !!!
!
বারুজ্যে গিন্নি :
আমার নাত বউ কে তো দিন রাত মদ খেয়ে পেটায় নাতি টা .. একটা মুখ ফুটে রা বের করুক দেখি !!!!
দাস গিন্নি : আমার বউ মা কে আমার ছেলে টাইট করে রেখেছে, একটু বেচাল দেখলেই বউ র বুড়ো দাদু কে ডেকে কড়কে দেয়, সে ছাড়া তো বউ র কেও নায় ..
বাড়ুজ্যে গিন্নি : তা তোমার বউ লক্ষ্মী মেয়ে, সারাদিন কতো কাজ করে, মুখে টু -শব্দটি নেয় ..
দাস গিন্নি : হ্যাঁ. মুখে হাসি ও নায় , মর গা আমি অত হেদায় না . ছেলে ও আমার অত বউ নেওটা নয়, তাতেই একটু রেগে গেলেই বউ কে পেটায়, ..
।
হারুর মা : তা ও দাস দি ,–তোমার মেয়েটা কেমন আছে গো ???
দাস গিন্নি : —(এক গাল হেসে ) তা বাপু আমার মেয়ের ভাগ্য বলতে হবে, জামাই মেয়ে কে নিয়ে গিয়ে বাসায় রেখেছে…
বাড়ুজ্যে গিন্নি : বলো কি গো !! (গালে হাত ) বুড়ো মা টা একা থাকে ভিটে আগলে !!!
দাস গিন্নি : –কেনো তোমার মেয়ে ও তো তার শাশুড়ি কে দেখেনি গো !!! শুনেছি সে বুড়ি তার মেয়ের ঘরে গিয়ে মরেছে !!!
বাড়ুজ্যে গিন্নি : —নে নে তোর মেয়ের কথা বল্, আমার মেয়ের কেচ্ছা তোকে আর গায়তে হবেনা ..
দাস গিন্নি : হ্যাঁ. শুধু কি তায় !!! মেয়ে কে আমার কুটো টি ভেঙ্গে দুটো করতে হয়না .. ।কাজের মেয়ে আছে, জামাই রাতে বাসায় ফিরে হয় নিজে রান্না করে.না হয় হোটেলে র খাবার আনায়, চুড়িদার পরে, যখন তখন ঘুরতে যায় !! জামাই আমার খুউব ভালো,.. (মুখে এক মুখ হাসি )
টুকু (কাজের মেয়ে পদী পিসির ঘর থেকে বেরুবার পথে ): —-
চলো গো সব গিন্নি মা রা .ছোঁয়া পরে যাবে ..
।
খোদ রাজধানীর বুকে একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু অবাক করে দেয়। মনে করিয়ে দেয় আমলাসোলের ঘটনা। ভাবতে খুব অবাক লাগে স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা পারিনি ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে। আজও অপুষ্টির শিকার বহু মানুষ। পথশিশুদের খাবার খেতে হয় কুকুরের সাথে লড়াই করে। ডাস্টবিনের উচ্ছিষ্টে ভাগ বসাতে হয় তাদের। মুষ্টিমেয় শিল্পপতিদের ঘরে জমছে কালো টাকার পাহাড়। যে দেশে রাজনীতিবিদদের দেশ চালাতে হয় না। দেশ চলে শিল্পপতিদের অঙ্গুলিহেলনে সেই দেশে এর চেয়ে বেশি আর কিই বা আশা করা যায়? তাতে করে কয়েক টা নর্দমার কীট মারা গেলে কার কি যায় আসে?
মনুষ্যত্ব বিক্রি করেছি,
বিবেক গিয়েছি ভুলে
পিঠের চামড়া খুলে দিতে রাজি,
জুতো বানানোর হলে।
কিবা যায় আসে, পথশিশু ম’লে?
ওরা তো আবর্জনা,
হাজার মরলে সরকারি মতে
হবে সেটা হাতে গোনা।
দেশ ডিজিটাল করতেই হবে,
আটা নয় দাও ডেটা।
হাসি মুখে এসে গিন্নী কে বলি ,
ভালো কাজ করে বেটা।
খাদ্যে যা টুকু ভুর্তকি দেয়,
অর্ধেক যায় চুরি।
গরীবের ভাগে কানাকড়ি জোটে,
রাজাদের বাড়ে ভূঁড়ি।
আমি তো আবার বিদ্রোহ করি
ফেসবুকে করি চিৎকার,
লাইক, কমেন্ট, হাততালি দিয়ে
কেউ বলে ধিক্ ধিক্কার।
কাজের কাজ তো কিছুই করি না
দু কলম লেখা ছাড়া।
কি করে করব? দুর্বল মোরা
নুয়ে গেছে শিরদাঁড়া।
ছাপোষা মানুষ বিদ্রোহ করে
শুধু শুধু জেল ঘোরা
ভীরু কাপুরুষ তকমা লাগুক
তবু সুখী আছি মোরা।