Patri chai – posted by Sanjoy Kumar Om
Bride wanted WB GANDHABANIK work in central govt sector.adress: asansol town.joint family
koushik gotra. karkat Rasi. Call / Whatsapp korun ei numbar a 8513084707.
Patri chai – posted by Sanjoy Kumar Om
Bride wanted WB GANDHABANIK work in central govt sector.adress: asansol town.joint family
koushik gotra. karkat Rasi. Call / Whatsapp korun ei numbar a 8513084707.
WB Gandhabanik patro chai.(age 28-35) byabsa/chakuri.
Patri Age-26, Hight-5.5″, Education qualification-M.A in Bengali (Kalyani University), Bari-Barrackpore, Kolkata-700119

২য় পর্ব, (…”লেবার_ট্রেন – ১ম পর্ব” এখানে পড়ুন)

সবার সাথে হাটতে হাটতে আমিও শহরের জনস্রোতে মিশে গেলাম । শহরটা যেন প্রান ফিরে পায় লেবার ট্রেনের লোকগুলোর জন্য । শহরের অলি গলি এদের চেনে । ছোট, বড়ো সব বাড়ির প্রতিটি ইটে এদের স্পর্শ লুকিয়ে আছে । একটা না বলা অধিকারবোধ মালিকের অজান্তে এই গরিব খেটে খাওয়া লোক গুলোকে ছুঁতে চায় । কিন্তু বাবুদের মানবিকতা তাদের চৌকাঠ ঘেসতেও দেবে না । এসব কথা ভাবতে ভাবতে আমি আমার গন্তব্যে পৌচে গেলাম । সামনেই একটা নির্মেয়মান বহুতল । অনেক উচুতে নেট লাগিয়ে কাজে ব্যস্ত কিছু শ্রমিক । রাস্তায় নামামো ইট মাথায় করে তুলছে আমার বীরাঙ্গনারা । কাজের তাড়া অনেক । ইঞ্জিনিয়ার সাহেব এসে বলে গেলেন আর বেশি সময় নেই । তাড়াতাড়ি কমপ্লিট দিতে হবে কাজ । সব ফ্ল্যাটগুলো বিক্রি হয়ে গেছে, ক্লাইন্ডদের দেওয়া সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে কাজ । আজ ওভার চাইম করতে হবে কিন্তু তার জন্য কোনো বেশি টাকা তারা পাবে না কারণ তাদের কুড়েমির জন্যই কাজ পিছিয়ে আছে । বলেই গটগট করে চলে গেলেন ইঞ্জিনিয়ার । সকলেই একে অপরের মুখের দিকে চেয়ে দাড়িয়ে রইল অসহায়ের মতো । তারপর আবার শুরু হল কাজ, চলতে থাকল নিজের ছন্দে । সারা দিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ফাঁকিবাজের তকমাটা পেয়ে তারা যে মর্মাহত এটা তাদের আলোচনা শুনে বোঝা যাচ্ছে । একজন বলে উঠল “বাড়তি টাকা না দিলে আমি এক মিনিটও বেশি কাজ করব না, রোজ রোজ মজা পেয়েছে নাকি ?” বাকিরা সবাই চুপ করে রইল । মৌনতা সমর্থনের লক্ষন আজ তা ভালো মতে টের পেলাম । কিছুক্ষন পর আমার ছুটি হয়ে গেল, আমি আবার বেরিয়ে পড়লাম শহরের গলিতে । রাস্তায় কোথাও না কোথাও এই অসভ্য, নোংরা লোকগুলো বাবুদের আঙুলের ঈশারায় ঘাম ঝরাচ্ছে ।
হাটতে হাটতে হঠাৎ পিছন থেকে ডাক শুনে দাড়িয়ে তাকালাম, দেখি পিছনে দাড়িয়ে আমার সফর সঙ্গী লেবার ট্রেনের এক অসভ্য যাত্রী । হাতে ময়লা একটা থলি, নোংরা জামা-প্যান্ট পরা শীর্ন শরীর, কর্মঠো এক লেবার হেটে এল আমার কাছে । একবুক কষ্ট নিয়ে হাসি মুখেই বলল, “আজ কাজ পাইনি ভাইপো ।” আমি কি বলল বুঝে ওঠার আগেই ও বলল “চল একটু বাজারটা ঘুরে নিই, এখন ট্রেনের সময় আছে” । আমি কিছু না বলে পিছু পিছু হাটতে লাগলাম । শাক সবজি নিয়ে যেতে হবে ঘরের জন্য, বাড়িতে দুই ছেলে, এক মেয়ে,বউ, বুড়ো মা আছে । পুরো বাজার মোটামুটি সব দোকানেই দাম জিজ্ঞেস করে একটা কোনের দোকানে গিয়ে একটু দাগ লাগা পটল গুলোর থেকে ভালো ভালো বাছতে লাগল, বুঝলাম দাম কম । ফলের দোকানগুলো ঘুরে ফিরে কমদামি, দাগ লাগা কলা আর লেবু নিল ছোট ছেলেটার জন্য । ছোটটা যেতে যেতে পায়ে পায়ে ঘুরবে । কিছু না নিয়ে গেলে ওর মুখটার দিকে তাকানো যায় না- বলে একটা দীর্ঘশ্বাস নিল অসভ্য লেবারটা । তারপর পকেটের থেকে একটা ছোট্ট পলিথিন ব্যাগের ভাঁজ খুলে তার থেকে টাকা বের করে দিল । তার অভাবের সংসারে ছেলে মেয়ে গুলোকে মানুষ করা, দু বেলা মুখে খাবার তুলে দেওয়া, বৃদ্ধা অসুস্থ মায়ের ঔষুধ এসব কিছু করার পর স্বামী স্ত্রীর ভাগ্যে আলাদা করে কিছু জুটে না । ওদের খুসি গুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে ওরাও বেশ সুখেই আছে । তাছাড়া ছেলেমেয়ে গুলোর টিউশনের টাকা, বই খাতা চালানোর জন্য অনেক সমস্যার মুখোমুখি রোজই হতে হয় । তাদের দাম্পত্ব জীবনের ছোটবড়ো সব সুখ বিসর্জন দিয়েও তাদের সব চাহিদা মেটানো যায় না । কাল বাড়ি ফেরার পর মেয়ে জড়িয়ে ধরে বলেছে বাবা মিনতি দিদির বিয়েতে যাওয়ার আগে একটা নতুন সালোয়ার কিনে দেবে ? সেই দুর্গাপুজায় একটা নতুন জামা দিয়েছো । ওটা সব জায়গায় পরে যেতে আর ভালো লাগে না । এসব বলতে বলতে নিজের অজান্তের সেই দায়দায়িত্বহীন অসভ্য লেবারটার চোখ থেকে কয়েক ফোটা জল গড়িয়ে এল । কেউ টের পাওয়ার আগেই নিমেষে চোখ মুছে নিল । আমি বাকরুদ্ধ হয়ে সব শুনছি । কোনো কথা বেরোচ্ছে না । কথা বলার ভাষা হারিয়েছি । গল্পের ফাঁকে স্টেশনে পৌছে গেলাম । বসে আছি ট্রেনের অপেক্ষায় । মনে মনে ভাবছিলাম অসভ্য লেবাররটির রোজের অভাবের জীবনের সংঘর্সের কথা । সবার চাহিদা মিটিয়ে কি বা থাকে তার নিজের জন্য । রোজ সকালের লেবার ট্রেন, কয়েক বছর ধরে পরে আশা সেই নোংরা, ময়লা জামাকাপড়, ছিড়ে যাওয়া চটি জোড়া এই তার পাওয়া । তার অসুখ করে না, তার ছুটি নেই, তার বিশ্রাম নেই । আছে শুধু ক্ষুধার্ত পেট আর নিজের পরিবারের চাহিদা মেটানোর গুরু দায়িত্ব । তাই একদিন কাজ না পেলে তার ভিতর যে দাবানল জ্বলে, তার সামনে ভেষে ওঠে ছেলেমেয়ে আর বৃদ্ধা মায়ের ক্ষুদার্ত মুখ ।
জিজ্ঞেস করলাম, ” কাকু আজ কাজ পেলে না কেন ?”
– সে অনেক কথা ।
– বলো অনেকটা রাস্তা যাবো একসাথে ।
চলবে…. ক্রমশঃ প্রকাশ্যমান…
–শুভ্রজিত মুদি
পাত্রী চাই ॥ পাত্র প: ব: গন্ধবণিক 30, 5’5″, B Tech, NIT দুর্গাপুর হইতে ও MBA, IIM Kolkata হইতে, বর্তমানে British Consultant Company তে কর্মরত ও কিছু দিনের জন্য Dubai পোস্টিং, উচ্চ মনের মাইনে ও কলিকাতাতে নিজেস্ব ফ্লাট, গাড়ি আছে , বাবা অবসর প্রাপ্ত Govt. Officer, পাত্রের জন্য প: ব: গন্ধবণিক, B Tech/MBA/M Sc/ সমসাময়িক উচ্চ শিক্ষিতা, বয়স 22-26 এর মধ্যে ভদ্র , স্মার্ট পাত্রী কাম্য, কোন দাবি নেই, যোগাযোগ: (পাত্রের বাবা ) 9433366389 & 8777743540, সময় রাত্রি 8-11 পযন্ত ॥

প্রেম হোল ঐশ্বরিক সম্পদ। বাংলা বর্ণমালায় এমন কোন শব্দ নেই যা দিয়ে এর যথাযথ মানে বের করা সম্ভব। তাই তা বর্ণনা করার দুঃসাহস দেখানোর চেষ্টা আমি করিনি। শুধু চেষ্টা করেছি এক অব্যক্ত, অন্তহীন প্রতিক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা নারী মনের প্রেমটাকে আপনাদের চোখের সামনে তুলে ধরার।
রাজা আমার বন্ধু। সহপাঠী নয়। একই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজ করার সুবাদে। আমি কোলকাতার ছেলে। মেদিনীপুর থেকে ডাক্তারী পাশ করে, পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে এসেছি পোস্টিং নিয়ে। অবশ্যই ইচ্ছে করে।রড় হয়ে ডাক্তার হবো ও গ্রামের মানুষ দের সেবা করব এটাই ছিল স্বপ্ন। বাড়িতে যখন শুনেছিল আমার পোস্টিং পুরুলিয়া, রীতিমতো কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিল মা। বাবা যদিও খুব বেশি আপত্তি তোলেন নি। মা’র ধারনা, পুরুলিয়া মানেই মাওবাদীদের মুক্তাঙ্গন। আর আমার যে কোন মুহূর্তে কিছু ঘটে যেতে পারে। তাই বারবার আমাকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমি যেদিন প্রথম পুরুলিয়ায় আসি মা’ই ছাড়তে এসেছিল।বাড়ির জিনিস পত্র তখন কিছুই আনিনি।
এর আগে একবার আমি এসেছিলাম পুরুলিয়া C. M. O. H অফিসে জয়েনিং লেটার নিয়ে, সেখান থেকে বাঘমুন্ডির পাথরডি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পোস্টিং এ পাঠানো হয়েছে। হাওড়া থেকে আমি আর মা ট্রেনে করে বরাভূম স্টেশনে নামি। এবং সেখান থেকে বাই বাস বাঘমুন্ডি। দুপাশে দুর্ভেদ্য জঙ্গল, আর তার মাঝে ছুটে চলেছে আমাদের বাস।শাল, পিয়াল, পলাশ-মহুয়ায় সাজানো বনানী। রাস্তার পাশে অযোধ্যা পাহাড়ের রেঞ্জ আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকছে। এতো সুন্দর, এতো সবুজের সমারোহ আমি আগে কখনোই দেখিনি। এখানকার মানুষের ভাষা আদিবাসীদের মতো। আমরা যখন বাঘমুন্ডিতে গিয়ে নামলাম তখন সূর্য অস্ত যাওয়ার পথে। আকাশের বুকে বাদামী রঙের আলো। পাখিদের ঘরে ফেরার ব্যস্ততা, আর তাদের কাকলিতে মুখরিত প্রকৃতি। জন জীবনে এখানে ব্যস্ততা বা ছুটে চলার প্রতিযোগিতা নেই বললেই চলে।
নেমেই একটা রিক্সো ডাকলাম। কোথায় যাবেন বাবু? বলেই রিক্সাওয়ালা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কেমন যেন মায়া লাগলো দেখে। অস্তমিত সূর্যের মতোই তার চোখ যেন ডুবতে বসেছে মুখমণ্ডলের অতল গ্বহরে। আমি যখন বললাম, আমি এই গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসেছি, বুঝতে পারেন নি। ডাক্তার কথাটা শোনার পর বললেন ও, ঐ হাঁসপাতালটার ডক্টর। আমি বললাম হ্যাঁ। খুব খুশি হয়ে বললেন আরে আসুন আসুন। রিক্সোর শিটের ধূলো হাত দিয়ে ঝেড়ে বসতে বললেন। জিজ্ঞেস করলেন আমরা কোথা থেকে এসেছি। আমি বললাম কোলকাতা। উনি এমন ভাবে তাকালেন যেন অবাক হওয়ার মতো। কইলকাতার ডক্টর হামদের গাঁয়ে? হামদের কি সৌভাগ্য ডক্টর বাবু। কেন? সৌভাগ্য কেন? আমি জিজ্ঞেস করলাম। ডাক্তার জিনিস টা যেন একখানা দেখার জিনিস। উনি সকলকে ডেকে ডেকে বলতে লাগলেন, আমি কোলকাতার ডাক্তার, ওনাদের এখানের হাসপাতালে চিকিৎসা করতে এসেছি ।এই অল্প সময়ের অভিজ্ঞতায় আমার মনে হোল, আতিথেয়তায় অকৃপণ এখানের মানুষ জন। সরলতা এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। মুখের অকৃত্রিম হাসি যেন পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ ভুলিয়ে দিতে পারে। এতদিন পর্যন্ত মা’র মনে যে ভয়, যে সংশয় বাসা বেঁধে ছিল সব যেন একটা পলকা হাওয়া এসে উড়িয়ে নিয়ে গেল। শুধু আমার মনে একটা প্রশ্ন গেঁথে গেছে। এতো রুক্ষ মাটিতে এত কোমল, হৃদয়বান মানুষের জন্ম হয় কি করে?
✍️✍️চলবে…. ক্রমশঃ প্রকাশ্যমান…✍️✍️
–পার্থসারথি দত্ত
জন্মতিথি 03/01/1988, MA(বাংলা), 5’3″, নরগন, ফর্শা, মধুকূল্য গোত্র, আসানসোল (কুলটি) পাত্রীর জন্য 36 এর মধ্যে, শিক্ষিত, চাকুরীজীবি বা ভালো ব্যবসায়ী পাত্র কাম্য। মোবাইল : +91-9732126216
Need a educated, good job holder or established businessman groom within age 36 for the bride; date of birth 03/01/1988, Qualification MA(Bengali), Height 5’3″, Naragan, Fair, Madhukulya gotra, from Asansol(Kulti). Mobile: +91-9732126216


উপকরণ:
চিকেন 1 kg, কারীপাতা 25/30 (পাতা), আদা 25gm, রসুন 30/40gm, পিঁয়াজ 300gm, আলু 300gm, টক দই 4 চামচ, জিরে বাঁটা 10gm, হলুদ 2/3 চামচ, চিনি 1 চামচ, সান ফ্লাওয়ার রিফাইন তেল 75/100gm, টমেটো 1টা, কাঁচা 5/7টা, শুকনো লংকা 4টা, কাঁচা লংকা, নুন (স্বাদ মত)
বিধি :
আদা, পিঁয়াজ, রসুন, কারিপাতা, কাঁচা লংকা সব একসাথে বেঁটে পেস্ট করে নিয়ে চিকেনের সাথে মাখাতে হবে। সঙ্গে টক দই, হলুদ, জিরে বাঁটা পেস্ট মাখিয়ে নিতে হবে।
এবার ওভেনে বা উনুন/স্টোভে করাই চাপিয়ে তেল গরম হতে দিন। তেল গরম হলে শুকনো লংকা দিন, এবার মসলা মাখানো চিকেন গরম তেলএ দিয়ে কোষতে থাকুন। 15 মিনিট কষার পর আলু(আলু বিহীন রান্নাও করতে পারেন) ও টমেটো দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। 10 মিনিট পর স্বাদ মত লবন/নুন দিয়ে অল্প জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। 10/15 মিনিটের পর মাংস সেদ্ধ হয় গেলে ওভেন অফ করে নামিয়ে নিন। রান্না কমপ্লিট। এবার খেয়ে দেখুন আর আমায় খাওয়ান 🙂
-দেবাশীষ দত্ত


গন্ধবণিক সম্প্রদায়ভুক্ত, এই পরিবারের সদস্যেরা হলেন চণ্ডীমঙ্গলের ধনপতি শ্রীমন্ত সদাগরের বংশধর। তাই এই বংশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছে শিবপুজো।
ডাকের সাজের এক চালির প্রতিমা
কোথাও দশভুজা, কোথাও অভয়াদুর্গা বা হরগৌরী। এমনই রূপবৈচিত্রে অনন্য বনেদি বাড়ির দুর্গোৎসব। কলকাতায় যে কয়েকটি পরিবারে শিবদুর্গা পুজোর প্রচলন রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বিডন স্ট্রিট ভোলানাথ ধাম।

গন্ধবণিক সম্প্রদায়ভুক্ত, এই পরিবারের সদস্যেরা হলেন চণ্ডীমঙ্গলের ধনপতি শ্রীমন্ত সদাগরের বংশধর। তাই এই বংশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছে শিবপুজো।
এই পুজোর সূচনা হয় ১৯০৫-এ বারাণসীতে। পুজো শুরু করেন ভোলানাথ দত্ত। সেখানে আট বছর পুজো হওয়ার পরে কলকাতার শোভাবাজারে গোলক দত্ত লেনের বাড়িতে পুজোটি স্থানান্তরিত হয়। সেখানে ১৯২৪ পর্যন্ত পুজো হয়। এর মধ্যে ১৯২২-’২৩ নাগাদ বিডন স্ট্রিটের বসতবাড়িটি অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের পরিবারের কাছ থেকে কেনা হয়। সংস্কারের পরে সেখানেই পুজোটি স্থানান্তরিত হয় ১৯২৫-এ। সেই থেকে বিডন স্ট্রিটের বাড়িতে পুজো হয়ে আসছে।
ডাকের সাজের এক চালির প্রতিমা। পরিবারের প্রবীণ সদস্য অজয় দত্ত বলছিলেন, ‘‘এখানে শিবের কোলে দুর্গার অধিষ্ঠান। এই পরিবারে শিবকে জামাই হিসেবে পুজো করা হয়। আর দুর্গা যেন বাড়ির মেয়ে।
এক খিলানের চওড়া প্রশস্ত দালানে পুজো হয়। মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে হয় বোধন। সেই থেকে নবমী পর্যন্ত চলে চণ্ডীপাঠ।
ব্যবসায়ী পরিবার বলেই বিজয়া দশমীর দিনে পুজো শেষ হলে তবেই দোকান খোলা হয়। অব্রাহ্মণ পরিবার তাই অন্নভোগের প্রচলন নেই। সকালে চালের নৈবেদ্য ফল, মিষ্টি আর রাতে থাকে ঘিয়ে ভাজা লুচি, ভাজা আর নানা ধরনের মিষ্টি।
এই পরিবারের কুমারী পুজো হয় তবে তার কিছু বিশেষত্ব আছে। পুরোহিত নয়, কুমারীকে পুজো করেন বাড়ির সধবা মহিলারাই। এ ছাড়াও হয় ধুনো পড়ানো।
–শোভন সাধু