Patri chai – posted by Mahendra Das

Patri chai – posted by Mahendra Das

গন্ধবনিক সুপাত্রী চাই। পাত্র ৩৫, ইঞ্জিনিয়ার চাকরি করে। কলকাতায় নিজেদের ফ্লাট, আসল বাড়ি কাটোয়া।

Patri Chai – posted by Sanjay Das

পাত্রী চাই – posted by Sanjay Das

পাত্রী চাই ॥ পাত্র প: ব: গন্ধবণিক 30, 5’5″, B Tech, NIT দুর্গাপুর হইতে ও MBA, IIM Kolkata হইতে, বর্তমানে British Consultant Company তে কর্মরত ও কিছু দিনের জন্য Dubai পোস্টিং, উচ্চ মনের মাইনে ও কলিকাতাতে নিজেস্ব ফ্লাট, গাড়ি আছে , বাবা অবসর প্রাপ্ত Govt. Officer, পাত্রের জন্য প: ব: গন্ধবণিক, B Tech/MBA/M Sc/ সমসাময়িক উচ্চ শিক্ষিতা, বয়স 22-26 এর মধ্যে ভদ্র , স্মার্ট পাত্রী কাম্য, কোন দাবি নেই, যোগাযোগ: (পাত্রের বাবা ) 9433366389 & 8777743540, সময় রাত্রি 8-11 পযন্ত ॥

Patro chai – posted by Sou Mita Ghanty

Patro chai – posted by Sou Mita Ghanty

জন্মতিথি 03/01/1988, MA(বাংলা), 5’3″, নরগন, ফর্শা, মধুকূল্য গোত্র, আসানসোল (কুলটি) পাত্রীর জন্য 36 এর মধ্যে, শিক্ষিত, চাকুরীজীবি বা ভালো ব্যবসায়ী পাত্র কাম্য। মোবাইল : +91-9732126216

Need a educated, good job holder or established businessman groom within age 36 for the bride; date of birth 03/01/1988, Qualification MA(Bengali), Height 5’3″, Naragan, Fair, Madhukulya gotra, from Asansol(Kulti). Mobile: +91-9732126216

গন্ধবণিকদের বিয়ের অনুষ্ঠান – সন্দীপ দে

Bengali wedding
Bengali wedding
A painting by Sheli Dey.

গন্ধবণিকদের বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে কিছু চর্চা।

অন্য গোত্রে বিয়ের নিয়ম:
গন্ধবণিকদের মধ্যে একই গোত্রে বিবাহের রীতি নেই। পাত্রপক্ষ ও কন্যাপক্ষের উভয়ের সন্মতিতে বিবাহের দিন স্থির হলে পান-সুপারি, মিষ্টি দ্রব্য, হলুদ সিঁদুর দিয়ে আত্মীয় বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।

অনুষ্ঠানের আরম্ভ :
দুই পক্ষের বাড়িতেই বিয়ের দিন বরণ ডালা নিয়ে এয়োরা(সধবা স্ত্রী) মা গঙ্গাকে নিমন্ত্রণ করে বিবাহের কাজ শুরু করা হয়। এবং পিতৃ পুরুষের উদ্দেশ্যে স্মরণ করে জলদান করা হয় একে নাম্নী মুখ বৃদ্দি বলা হয়। পাত্রপক্ষৈর বাড়ি থেকে হলুদ, তেল ও পাত্রীর পরিধান সামগ্রী পাঠানো হয়ে থাকে যাকে গায়েহলুদ বলে। পাত্র বরবেশে সাথে বরযাত্রীদের নিয়ে পাত্রী বাড়িতে বিবাহের জন্য উপস্থিত হলে বরণ ও মিষ্টিমুখ করে প্রবেশ করানো হয়। বৈদিক মন্ত্রে বিবাহ কার্যক্রম শুভ দৃষ্টি ও মালাবদল করে সিঁদুর দান ও হোম যজ্ঞের মাধ্যমে সকল বিবাহ কার্য সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পরের দিন :
বিবাহের পরের দিন পাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পাত্র নিজের বাড়িতে প্রবেশ করে তখন পরিবারের সাথে পরিচয়ের পাশাপাশি কিছু নিয়ম পালন করা হয়। যেমন এক কলসি জল কোমরে দেওয়া থেকে হাতে ল্যাঠা মাছ ধরানো, দুধ-আলতা জলে পা’য়ের পাতা ভিজিয়ে, বৌ’য়ের মাথায় থাকা কুনকেতে ধান যাঁতি দিয়ে বর কাটতে-কাটতে নতুন বৌ গৃহে প্রবেশ করে। এ ছাড়া কড়ি খেলা, আংটি খেলা ও মুনা-মুনি খেলা দিয়ে পরিবারের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়। বরকনে কে আর্শীবাদ দেওয়া হয়।

শেষের অনুষ্ঠান :
পরের দিন নতুন বৌ’এর ভাত-কাপড় ও পাঁচ পাতে ভাতের অনুষ্ঠান দিয়ে, দুই বাড়ির গুরুজনরা এক আসনে মিলিত হয়ে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাত্রে পাত্রী পক্ষের বাড়ি থেকে আনা বিশেষ চালের গুড়োর তৈরী নাড়ু পরিবেশনের দ্বারা একে অন্যের বংশের উৎপত্তি, বৃদ্দ্বি ও গোত্রের প্রশ্নোত্তরের ছোট অনুষ্ঠান মিলনীসই বা মিলনীসভা আয়োজন করা হয়। এরপর বাড়ির পাঁচ এয়ো, চিঁড়ে, খই, ক্ষীর, মুড়কি ও পান নিয়ে শেষ পর্বে ফুলসজ্জার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

—  সন্দীপ দে, কলকাতা